Posts

ভালোবাসি মা তোমায় ( বাংলাদেশ )

Image
শুধু দু-মুঠো ভাতের আশায় নয় মা (বাংলাদেশ) তোমাকে ছেড়ে বহু দূরে নিশ্চিন্তে পরে আছি এই দূর পরবাসে ! তবুও কোন আক্ষেপ নেই মনে, দিন শেষে ঘুমোতে পারি খুবই নিরাপদে পরের কোলে !  ভয় শুধু তোমাকে নিয়ে !!! না জানি কখন কোন শকুন এসে হামলা করে তোমার পানে !  দেখই না তোমার উপরে এত বড় আকাশ আজ ভারি হয়ে যাচ্ছে কিছু মানুষ রুপি হায়েনার বিকৃত লালসার তরে !!!  পূর্ব গগনে আজ মেঘ জমে উঠেছে মেঘ, ভারি বর্ষণে প্লাবিত হচ্ছে , কিছু অসহায়ের আর্তনাদে ! তাই তো মা অভিমানে তোমার শান্ত ছেলে , আজ আশ্রয় খুঁজে চলছে অন্যের দ্বারে । ক্ষমা করে দিও মা এই প্রবাসী শান্ত ছেলেটা ভয় পায় ফিরতে তোমার চরনে !!

আমার ছেলে বেলা !!!

Image
বাংলাদেশের গতানুগতিক ধারার রাজনীতি বন্ধ না হলে আরো কতকাল আমাদের কে এই স্বাধীন দেশের পরাধীনতার শিকল পায়ে নিয়ে হাঁটতে হবে তার কোন ইয়ত্তা নেই  । আরো কতকাল আমাদের কে থাকতে হবে এই দূর পরবাসে সেটাও জানা নেই ! আমার দুটো বাচ্চা আছে বড় মেয়ে কোরিয়ান ভাষায় কথা বলে বয়স তিন বছর ,   ছেলেটা মায়ের কাছে দীর্ঘ সময় থাকার কারণে বাংলা ভাষা টাকটুক ভালোই পারে তবে বড় বোনের সাথে থাকার সুবাদে সেও ইদানিং কোরিয়ান ভাষায় কথা বলে ।  এমনটি শুধু আমাদের ক্ষেত্রেই নয় অসংখ্য আরো অনেক প্রবাসীর একই অবস্থা । আসলে ওরা ভবিষ্যতে কোন পরিচয়ে বড় হবে ? বাঙ্গালী না ভীনদেশী ? কাগজে কলমে এখনো বাঙালি কিন্তু যখন পরিবর্তন হয়ে যাবে কাগজে কলমে ও তখন ? ভীনদেশে থেকে আমাদের ও কিন্তু দেশের জন্য মায়া হয় কষ্ট লাগে !!  মাঝে মাঝেই  ভাবি , আহা সেই চিরচেনা পল্লী মায়ের মেঠোপথ ধরে আঁকাবাঁকা রাস্তার পাশ ধরে আধাপাকা   ধানের শীষের উপরে পরম মমতায় আলতো পরশে হাত বুলিয়ে হেঁটে চলি অজানার উদ্দেশ্যে ! আমরা যারা আশির দশকের শেষে অথবা নব্বই দশকের শুরুতে জন্মগ্রহণ করেছি তারা সত্যি ভাগ্যবান বটে । পাঁচ ...

মারা যাওয়ার ৭০ বছর পর জর্জ স্টিন্নি নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে আর একবার প্রমাণ করে দিয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকে আজ অবধি বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতেই কাঁদে চিরদিন।

Image
১৪ বছরের জর্জ স্টিন্নি জুনিয়র, আমেরিকার সবচেয়ে কনিষ্টতম মৃত্যুদন্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামী।  হ্যাঁ বন্ধুরা, মৃত্যুদন্ডের সময় ছেলেটির বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। ... ১৯৪৪ সালের ২৩শে মার্চ ১১ বছরের বেট্টি এবং ৭ বছরের মেরি নামের দুটি শ্বেতাঙ্গ মেয়ে নিঁখোজ হয়। পরেরদিন অর্থাৎ ২৪শে মার্চ জর্জ স্টিন্নির বাড়ির পাশ থেকে ছোট্ট মেয়ে দুটির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। হাতুড়ি জাতীয় ভারী কিছুর দ্বারা মেয়ে দুটির মাথা থেঁতলে হত্যা করা হয়েছিলো। এই হত্যাকান্ডের খুনী সন্দেহে পুলিশ জর্জ কে গ্রেপ্তার করে। প্রেপ্তারের কারণ ছিলো বেট্টি ও মেরি ২৩ তারিখ বিকেলবেলা সাইকেল চালিয়ে জর্জের বাড়ির পাশ দিয়ে ফুল কুড়োতে যাওয়ার সময় জর্জকে 'ম্যাপল' এর রাস্তা জিজ্ঞেস করেছিলো। এই কথোপকথনের কারণেই পুলিশ সন্দেহ করে জর্জ স্টিন্নিই তাদের হত্যা করেছে।  পুলিশ হেফাজতে জর্জ মোট ৮১ দিন ছিল। এই ৮১ দিনের ৮০ দিন সে তার মা, বাবার সাথে দেখা করতে পারেনি। কৃষ্ণাঙ্গ যুবক দুজন শ্বেতাঙ্গকে হত্যা করেছে, একী কম বড় ব্যাপার ? জর্জের মা-বাবাও সামাজিক বয়কটের মুখে পড়ে ছেলের সাথে শেষের ৮০দিন আর দেখা করতে পারেননি।   ১৯৪৪র ১৪ই জুন জর্জের বিচার শুরু হয়। মা...

দক্ষিণ কোরিয়াতে নিজের আত্মীয় স্বজনের জন্য ইনভাইট করার পদ্ধতি ।

Image
কোরিয়াতে E-7 ও F-2 ভিসাধারীদের স্ত্রী,সন্তান অথবা পরিবারের কাউকে ইনভাইট করে আনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি কি কি এবং প্রস্ কোরিয়াতে যে সমস্ত কাগজ প্রস্তুত করবেন-- 1. ইনভাইটেশান লেটার (যিনি  আসবেন তাকে উদ্দেশ্য করে আপনি লিখবেন নিচে আপনার সাইন থাকতে হবে) 2. 사실증면서 ( আপনার কোরিয়ার আইডি কার্ড দিয়ে সংগ্রহ করবেন আর সংগ্রহ করতে হবে জুমিন সেন্টার,  সিটি হল , অথবা ইমিগ্রেশন হতে) 3. 재직증명서  ( যা কোম্পানি থেকে সংগ্রহ করবেন আপনার এমপ্লয়মেন্ট সার্টিফিকেট ) 4. 사업자등록증 ( কোম্পানির ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি ) 5. 연봉  ( যা কোম্পানি দিবে আপনার একবছরের বেতনের সীট) 6.집계약서  ( আপনি যে বাড়ীতে থাকেন তার চুক্তিপত্র যদি কোম্পানিতে থাকেন তাহলে কোম্পানি থেকে সংগ্রহ করবেন 기숙사확인서 ) 7. 신원보증서  ( যিনি আসবেন তার জন্য আপনার গ্যারান্টি লেটার ) 8. ব্যাংক স্টেটমেন্ট  ( ব্যালেন্স যতবেশি থাকবে তত ভালো তবে এক কোটি উনের উপরে রাখার চেষ্টা করবেন) 9. কোরিয়ার আইডি কার্ড ও পাসপোর্টের ফটোকপি । বিঃদ্রঃ  কোন কিছুই সত্যায়িত করার প্রয়োজন নেই শুধু ফটোকপি ।          □ দেশ থেকে যিন...

বাৎসরিক ট্যাক্স কমানোর পদ্ধতি

Image
কোরিয়াতে যারা আছেন   আয় তুলনামুলক ভাবে অনেক বেশি করছেন এবং ব্যয় ও ঠিক সে ভাবে করছেন ,কিন্তু বছর শেষে সবার থেকে ট্যাক্স বেশি আসছে যেহেতু আয় বেশি ট্যাক্স  সাধারনের চেয়ে বেশি আসবে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার তবে আপনি চাইলে যতটুকু ব্যয় করে আয় করেছেন সেই পরিমানের ট্যাক্স দিতে পারেন আজ জানবো কিভাবে এটা করা যায় ?  বিশেষ করে যারা কোরিয়াতে পরিবার নিয়ে আছেন তাদের জন্যে এই পদ্ধতি গুলো বেশ উপকারে আসবে । তিনটি পদ্ধতি অবলম্বন করে এই সুবিধা নেয়া যায় , ধরুন আপনার ক্রেডিট কার্ড আছে তা ‍দিয়ে বাজার করলেন তাহলে আপনার এই পদ্ধতি অবলম্বন না করলে ও হবে । আর যদি নগদ টাকা দিয়ে কেনাকাটা করেন তাহলে এটার কোন রেকর্ড না থাকার কারনে আপনি প্রমান করতে পারবেন না যে আপনি খরচ করেছেন যদি হালাল ফুডের দোকান থেকে বাজার করেন আর তার বিল যদি একাউন্ট ট্রান্সফারের মাধ্যমে পরিশোধ করেন সেটাও আপনার খরচের তালিকাতে উঠাতে পারবেন না তাই যথাসম্ভব কেনাকাটার ক্ষেত্রে লেনদেনগুলো ক্রেডিট কার্ড অথবা 현금영수증 ( ক্যাশ রিসিপ্ট কার্ড ) ব্যবহার করা । ১ * 휴대폰번호 현금영수증 ( মোবাইল নাম্বার এর মাধ্যমে ) নিজের নামে ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারকে ক্যাশ ...

বাংলাদেশি ও একজন কোরিয়ান এর কথোপকথন / আমাদের ও তাদের চিন্তা চেতনা

Image
গতকাল অফিসে মালিকের মেয়ের জামাই এর সাথে কাজ করছিলাম আর কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করলাম । আমি : আচ্ছা মানুষের চতুরতা বোঝার উপায় হিসেবে কোরিয়ানরা কোন বিষয় গুলো গভীর ভাবে দেখে ? সে : হঠাৎ কেউ যদি তোমার খুব প্রশংসা করে বা আগলা পিরিত দেখায় তাহলে ৯৫% সে তার নিজের স্বার্থে তোমাকে ব্যবহার করতে চাচ্ছে ! আমি : কোরিয়ানরা সস্তা জিনিস কেমন চোখে দেখে ? সে : আমরা কোন পন্য কিনতে যেয়ে দেখি পন্যটির বর্তমান বাজার মূল্য কত । ধরো একটি পন্যের দাম ১০০০ টাকা সেই পন্য কেউ তোমাকে ৫০০ টাকায় দিচ্ছে । তাহলে ১০০ জন কোরিয়ান এর মধ্যে ৯৫% লোক ওই জিনিসটা কিনবে না তার কারন ওই পন্যটিতে নিশ্চিত কোন না কোন সমস্যা আছে বা ভেজাল আছে ! ১০০০ টাকায় বিক্রিত পন্যটিই ক্রয় করবে । আমি : আচ্ছা তোমাদের মাঝে তেমন ফেসবুক গ্রুপিং দেখি না এর কারণ কি ? সে : আসলে আমরা মার্কেটিং করি তবে গেদারিং করার প্রয়োজন বোধ করি না । আমি : তুমি তো এই কোম্পানির মেয়ের জামাই আজ আমার সেকশনে কাজ না থাকায় তোমার সাথে কাজ করছি এই কাজটি তুমি প্রতিদিনই করো এই একদিনে বুঝলাম তুমি আমার থেকে অনেক বেশি পরিশ্রম করো শারীরিক ভাবে । তোমার স্ত্রী কিভাবে দেখে এটি ?...